কম খরচে যেভাবে যাবেন ঃ
★প্রতিদিন ঢাকা সদরঘাট থেকে সন্ধ্যা ৬-৭ টার ভিতর (ঢাকা – হুলারহাট) এর উদ্দেশ্য ২ টা করে লাঞ্চ ছাড়ে। 
★লঞ্চ এর ভাড়া, ডেকে ১৮০-২০০ টাকা। আর তাছাড়া ১০০০-১৮০০ র ভিতর সিংগেল ও ডাবল কেবিন পাওয়া যায়।
★লঞ্চ সকাল ৬-৬ঃ৩০ টার ভিতর পৌছে যাবে। ঘাট থেকেই সকালের নাস্তা সেরে নিন ২৫-৩০ টাকার ভিতর৷
★নাস্তা সেরে ঘাট থেকে নৌকা ভাড়া করুন। নৌকা ভাড়া ১২০০-১৩০০ টাকা।
আমরা ৬ জন ছিলাম, জন প্রতি ২০০ টাকা করে পড়েছিল।
★নৌকার মাঝি আপনাকে আটঘর, কুড়িয়ানা, ভিমরুল, বৌঠাকাঠা, পেয়ারা বাগান ইত্যাদি ঘুড়াবে।
★সাতাড় জানা থাকলে নদীর স্বচ্ছ পানিতে ঝাপাঝাপি করে তারপর দুপুরের খাবার খেতে চলে যান কুড়িয়ানার বিখ্যাত “সকাল সন্ধ্যা”হোটেলে। নদীর তাজা মাছের স্বাদ পাওয়া যাবে৷ ৮০-১০০ টাকার ভিতর দুপুরের খাবার খেয়ে নিতে পারবেন।
★এভাবে সারা দিন ঘুরাঘুরি শেষ করে লঞ্চঘাট চলে আসুন বিকাল ৫ টার ভিতর৷ লঞ্চ সন্ধ্যা ৬ টার ভিতর ছেড়ে দিবে৷ লঞ্চে রাতের খাবার খেয়ে নিন ১০০-১২০ টাকার ভিতর।
★পরদিন সকাল ৬ টার ভিতর ঢাকা চলে আসতে পারবেন৷
★এইভাবে ঘুরলে ১০০০ টাকার ভিতর সব হয়ে যাবে। আমাদের জন প্রতি ৯২০ টাকা করে লেগেছিল।

বিঃদ্র-
★ছাতা আথবা রেইন কোট সাথে নিলে ভাল।
★পেয়ারা বাগানে ঢুকে অনুমতি না নিয়ে পেয়ারা ছিড়বেন না। লোকজনদের অনুরোধ করলেই তারাই আপনেকে গাছ থেকে পেয়ারা পেড়ে দিবে।
★আর দয়া করে ঘুরতে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না৷ দেশটা তো আমাদের, আমরাই যদি নোংরা করি তাহলে রক্ষা করবে কে?

বৃষ্টি বিলাস করার জন্য ঢাকার আশেপাশে সবচেয়ে সেরা জায়গা সোনারগাঁও।প্রচুর সবুজ,পুকুর,নৌকাতে ভ্রমণ,গ্রামীণ আবহ বেশ জমিয়ে তুলে সময়কে।

হালকা বৃষ্টিতে পুকুর ঘাটে পা ডুবিয়ে বসে বসে রবীন্দ্র সংগীত যে কাউকে শিহরিত করে তুলবে।কোন একদিন সময় করে চলে যান বৃষ্টি বিলাস করতে।

যেভাবে যাবেন –

ঢাকা থেকে মাত্র ২৭ কিলোমিটার দূরত্বে এর অবস্থান,বাইকে ৩০-৪০ মিনিটের রাস্তা মাত্র।বাসে গেলে ঘন্টা দেড়েকর পথ।

গুলিস্থান থেকে দোয়েল বাসে চড়ে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যাড।ওইখান থেকে অটোতে করে সোনারগাঁও লোকশিল্প ও কারুশিল্প জাদুঘর।

বুধ ও বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে জাদুঘর।

বি. দ্র. – কোন অবস্থাতেই কোন অপচনশীল দ্রব্য ফেলে আসবেন না!